1. admin@ammarpluspnewschannel.com : admin :
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশিয়ানীর পোনা আরাবিয়া মাদ্রাসার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পূণর্মিলনী ও ইসলামী মহা সম্মেলন ৭ বছর পর কাশিয়ানী আ.লীগের সম্মেলন, নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ গোপালগঞ্জে কাশিয়ানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য নিহত কাশিয়ানীর সাজাইলে ইউনিয়নে লাভলু মৃধার আলোচনা সভা জাতীয় পার্টির রাজনীতিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থামানো যাবেনা – মিন্টু গোপালগঞ্জে সাংবাদিক সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরামের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন কাশিয়ানীতে মুক্তিযোদ্ধা বাবা ও ছেলেকে মারধর সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে ১০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ ইডেনে তিশার সঙ্গে ছবি তুলতে শিক্ষার্থীদের ভিড় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের অসীমের শুভেচ্ছা

মসজিদে ১৪৪ ধারা জারি,ঈদের জামাত নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০২২

 

অনলাইন ডেস্কঃ

মসজিদে ১৪৪ ধারা জারি, ঈদের জামাত নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ। টাঙ্গাইল মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের ভাওড়া সরকার পাড়া জামে মসজিদ ও তার ৪০০ গজ পরিসীমার মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ফলে সেখানে অনুষ্ঠিত হয়নি ঈদের জামাত।

মঙ্গলবার ভোর ৫ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বলবত থাকবে ১৪৪ ধারা।

গতকাল সোমবার মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান ১৪৪ ধারা জারি করেন। মসজিদ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাওড়া সরকার পাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে দুটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুই কমিটির পক্ষ থেকে দুইজন ইমামও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দুই কমিটি ও দুই ইমামের বিষয়ে গ্রামটিতে দীর্ঘদিন যাবত মতবিরোধ চলে আসছে। গতকাল সোমবার বাদ এশা মসজিদের ভেতর সভা করে দুই কমিটির পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে আলাদা জামাতের আয়োজন করা হয়।

এক কমিটি সকাল সাড়ে সাতটা ও আরেক কমিটি সকাল সাড়ে আটটায় সময় নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে ওই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে রাত এগারোটার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলম চাঁদ ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন ভাওড়া সরকার পাড়া মসজিদে যান। সেখানে দুই পক্ষের সাথে আলাপ করে শান্তিপুর্ণ অবস্থায় থেকে এক জামাতে নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেন। এক পক্ষের সাহাদত হোসেন, লেবু মিয়া ও পিন্টু গং রাজি না হওয়ায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পরে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রেখে দুই জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত হয়। প্রশাসনের লোকজন চলে আসার পর ফের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

নামাজকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ (১) ধারার ক্ষমতাবলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান রাত পৌনে বারোটার দিকে ১৪৪ ধারা জারি করেন।

ভাওড়া গ্রামের বাসিন্দা আল মামুন খান বলেন, মসজিদ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে ভাওড়া নয়াপাড়া মসজিদে গিয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছি।

ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আমজাদ হোসেন বলেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ওই এলাকায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এ কারণে ওই মসজিদে ঈদুল ফিতরের জামাত হয়নি।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তফা হোসেন জানান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2021 Ammar Plus P news Channel
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!